‘মনে হয়েছিল কবরে ঢুকেছি’
· Prothom Alo

প্রথম আলো ভবনে গত ১৮ ডিসেম্বর একদল উগ্রবাদী হামলা করে লুটপাট চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। দগ্ধ ভবনটি নিয়ে ‘আলো’ নামে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম করেছেন বিশিষ্ট শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান। কেমন করে কাজটি করলেন, তা নিয়ে কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আশীষ-উর-রহমান।
আপনি কীভাবে এই অগ্নিদগ্ধ ভবনে শিল্পকর্ম করার প্রস্তাব পেলেন? কাজটা শুরু করলেন কখন?
Visit chickenroadslot.lat for more information.
মাহ্বুবুর রহমান: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান ফোন করেছিলেন। তিনি বললেন, একদিন অফিসে আসুন। আমাদের অগ্নিদগ্ধ ভবনটি দেখুন। এখানে কিছু করতে পারেন কি না, একটু ভাববেন। এভাবেই কাজের প্রক্রিয়াটা শুরু হয়। এসে দেখার পর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি যে আমরা কী কী করব। কাজটা শুরু করেছিলাম ১৮ জানুয়ারি।
প্রদর্শনী ‘আলো’–এর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি দেখছেন শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান। প্রথম আলোর পোড়া ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারিএই অগ্নিকাণ্ড সম্পর্কে আপনি আগে কতটা জেনেছিলেন। নিশ্চয়ই খবর পেয়েছিলেন, কী রকম ধারণা ছিল আপনার?
মাহ্বুব: এটা দীর্ঘদিনের প্রক্রিয়ার একটা ‘আউটবাস্ট’ বলা যায়। কারণ, আমরা প্রতিনিয়তই দেখি যে বিভিন্ন সময় বেশ কয়েক দফায় পত্রিকাটির দিকে একটা ‘অ্যান্টি পজিশনিং’ তৈরি করা হচ্ছিল। নানান মহলের একটা আক্রোশ ছিল প্রথম আলোর ওপর। সেটা এমন চরম (এক্সটিম) পর্যায়ে যাওয়াটা আসলে খুবই দুর্ভাগ্যজনক।
প্রথম আলোর পোড়া ভবনে শিল্পের আলোএকটা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। তাকে ধূলিসাৎ করে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। এর কিন্তু একটা অর্থনৈতিক ক্ষতির দিকও আছে। যদিও এটা ব্যক্তিগত মালিকানার প্রতিষ্ঠান, এখানে অনেক মানুষের জীবিকা আছে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রেরই সম্পদ। এই ক্ষতি কিন্তু জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব রাখে। ফলে এর দায়ভার রাষ্ট্র তথা সাধারণ মানুষেরও নিতে হবে বলে মনে করি। আর যেহেতু এটা গণমাধ্যম, এর সঙ্গে গণতন্ত্র এবং গণমানুষের মতপ্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যুক্ত, তাই এর নিরাপত্তার বিষয়ে সবারই দায়িত্ব রয়েছে।
এই ভবনের সামনে যখন আপনি প্রথম দাঁড়ালেন, ভেতরে প্রবেশ করলেন, আপনার অনুভূতিটা কেমন ছিল—শিল্পী হিসেবে, মানুষ হিসেবে?
মাহ্বুব: বিভিন্ন নিউজের ভিডিওতে আমরা দেখছিলাম আগুন যেভাবে বের হচ্ছিল। আগুনের লাল রং তো ছিলই, একধরনের সাদা রঙের শিখাও ছিল। এই সাদাটে শিখাগুলো হয় খুবই চরম পর্যায়ে অগ্নিকাণ্ডের সময়। সেটা আমরা ভিডিওতে দেখছিলাম। খুব ‘এক্সটিম ফায়ার’ হচ্ছিল।
আমার মনে হচ্ছিল একটা কেমন যেন ঘটনা! অগ্নিসংযোগ যেন একটা উদ্যাপনের (সেলিব্রেশন) মতো হয়ে উঠেছিল বিগত কিছুদিন, বেশ কিছু ঘটনায়। আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে দেখেছি নানান জায়গায় আগুন দেওয়া। এয়ারপোর্টে আগুন, এখানে-ওখানে আগুন। অনেক ভবনের পুড়ে যাওয়া। মানে আগুনটা হয়ে গিয়েছিল ধ্বংসাত্মক কাজের একটা খুব ‘কুইক টুলস’।
তো বাইরে থেকে আমি তখন ভয়াবহতাটা আসলে এভাবে মনে করেছি। আর যখন এর ভেতরে ঢুকি, তখন মনে হয়েছে যে একটা কবরের (‘গ্রেভিয়ার্ডের’) ভেতরে ঢুকে পড়েছি। গভীর, ঘন অন্ধকার। ‘সো ডার্ক’। এত অন্ধকার যে নিজেকেও দেখা যায় না।
মানে এমনভাবে সবকিছু পুড়েছে যে একটু আলো প্রতিফলিত করার (রিফ্লেক্ট) মতো কোনো পরিসর (স্পেস) নেই। সবই ডার্ক। সবই, প্রতিটা জিনিস পুড়ে কালো হয়ে গেছে। আগুনে একটা মানুষও পুড়ে যায়, আবার একটা বস্তুও পুড়ে যায়। একটা বস্তু পুড়ে যাওয়া যে একটা মানুষের মানবিক জায়গা স্পর্শ করে, সেটা আসলে না দেখে বোঝা যায় না। একটা বস্তু (অবজেক্ট) পুড়ে গেলে ওর মধ্যে যে দগ্ধতার ছাপ থাকে, সেটা খুবই বেদনাদায়ক (পেইনফুল)।
চোখের সামনে ভবন পুড়ে অঙ্গারমানবসৃষ্ট এ ধরনের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ভেতর থেকে শিল্পকর্ম করার ক্ষেত্রে আপনার ভাবনায় কোন জিনিসটা প্রাধান্য পেয়েছে?
মাহ্বুব: আমার প্রথম ভাবনায় ছিল একটা ইতিবাচক অনুভূতি সৃষ্টি করা। কারণ, এটা পুরোটাই ছিল কালো। অন্ধকার। টোটাল একটা ডিসট্রাকশন। সেটার মধ্যে আমি একটা দ্বৈত অনুভব বা ভাবনা নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। এই হামলার মধ্যে থেকেও প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টার ইতিবাচক দিকটি দেখাতে চেয়েছি। প্রথম থেকেই আমি এই চূড়ান্ত সন্ত্রাসের দিকটিকে খুব উচ্চকিত না করে একে শিল্পসম্মতভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি।
প্রদর্শনী সাজাচ্ছেন শিল্পী মাহ্বুবুর রহমানএকটি গণমাধ্যমের ওপর হামলার স্থানে শিল্পকর্ম করতে গিয়ে রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং ব্যক্তিগত আবেগের মধ্যে কি কোনো দ্বন্দ্ব অনুভব করেছেন?
মাহ্বুব: সব সময়ই দুটো বাস্তবতা থাকে। একটা বাস্তবতা যারা আক্রমণ করছে তাদের। আরেকটা বাস্তবতা হলো যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের। কিন্তু সবচেয়ে বড় বাস্তবতাটা হচ্ছে সভ্যতার এই লগ্নে এসে আমরা এ ধরনের ধ্বংসাত্মক কাজে কেন যাই? আমরা কেন সংলাপের মধ্যে থাকি না? আমরা আর কতকাল এই সন্ত্রাস, ধ্বংস দেখে যাব? যুদ্ধ দেখেই যাব? এর কি শেষ নেই? কোন ধরনের সমাজ সভ্যতার দিকে আমরা যাচ্ছি?
আমি আসলে রাজনৈতিকভাবে বিচার করছি না। প্রেক্ষাপটও দেখছি না। একটা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। তাকে ধূলিসাৎ করে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। এর কিন্তু একটা অর্থনৈতিক ক্ষতির দিকও আছে। যদিও এটা ব্যক্তিগত মালিকানার প্রতিষ্ঠান, এখানে অনেক মানুষের জীবিকা আছে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রেরই সম্পদ। এই ক্ষতি কিন্তু জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব রাখে। ফলে এর দায়ভার রাষ্ট্র তথা সাধারণ মানুষেরও নিতে হবে বলে মনে করি। আর যেহেতু এটা গণমাধ্যম, এর সঙ্গে গণতন্ত্র এবং গণমানুষের মতপ্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যুক্ত, তাই এর নিরাপত্তার বিষয়ে সবারই দায়িত্ব রয়েছে।
এমনভাবে সবকিছু পুড়েছে যে একটু আলো প্রতিফলিত করার (রিফ্লেক্ট) মতো কোনো পরিসর (স্পেস) নেই। সবই ডার্ক। সবই, প্রতিটা জিনিস পুড়ে কালো হয়ে গেছে। আগুনে একটা মানুষও পুড়ে যায়, আবার একটা বস্তুও পুড়ে যায়। একটা বস্তু পুড়ে যাওয়া যে একটা মানুষের মানবিক জায়গা স্পর্শ করে, সেটা আসলে না দেখে বোঝা যায় না। একটা বস্তু (অবজেক্ট) পুড়ে গেলে ওর মধ্যে যে দগ্ধতার ছাপ থাকে, সেটা খুবই বেদনাদায়ক (পেইনফুল)।
এই শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে আপনি কি কোনো বিশেষ প্রতিবাদের ভাষা তৈরি করতে চান? বা কোনো শিল্পভাষা তৈরি করার চেষ্টা করেছেন?
মাহ্বুব: আমি আসলে সেভাবে প্রতিবাদের ভাষার কথা ভাবছিলাম না। আমি খুব বেশি ভাবছিলাম অনেকটা ‘সাইট স্পেসিফিক ওয়ার্ক’ নিয়ে। কারণ, এই স্থানে যে ঘটনা ঘটেছে, যে সামগ্রীগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে আমি একটা নিরীক্ষা করার চেষ্টা করেছি। আমি সব সময়ই বস্তুর নিজস্ব ভাষা, বৈশিষ্ট্য, গুণ, ব্যঞ্জনা—এসব নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করি। একটা পরিসর সৃষ্টি করি। তবে আমার জন্য এটা একটা বড় ধরনের নিরীক্ষার ক্ষেত্র হয়েছে।
চলছে প্রদর্শনীর একাংশের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির কাজকাজটি করতে গিয়ে আপনি কতখানি স্বাধীনতা পেলেন?
মাহ্বুব: প্রথম আলোর সবাই একটাই কথাই বলছেন, মাহ্বুব যা করে, যেভাবে করে, সেখানে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হবে। তো তারপর আমি যখন কাজ করছিলাম, সবাই সহযোগিতা করেছেন। পুরো কাজটার মধ্যে অনেক স্তর আছে। অনেক ধারণা আছে। অনেক প্রশ্ন আছে। আমি কিছুটা কাব্যিক ধরনের বয়ান আনারও চেষ্টা করেছি। নাটকের সংলাপ আছে। প্রতিটি উপকরণেরই বিশেষ অর্থ আছে, ব্যঞ্জনা আছে। দর্শক তাঁদের নিজের মতো করে অনুভব ও ব্যাখ্যা করবেন।
প্রথম আলো: এর আগে তো এ ধরনের কাজ আপনি অনেক করেছেন। পুরান ঢাকা নিয়ে কাজ করছেন, জার্মানিতে প্রাচীন দুর্গ প্রাসাদ নিয়ে কাজ করেছেন। সম্প্রতি বেঙ্গল শিল্পালয়েও একটা বড় প্রদর্শনী করলেন। আবার প্রথম আলোর অগ্নিদগ্ধ ভবন নিয়ে একটা বড় কাজ করলেন। এই কাজগুলোর মধ্যে যদি পারস্পরিক তুলনা করেন বা আপনি যে ধারাতে কাজ করেন, তার সঙ্গে এই কাজের কীভাবে মূল্যায়ন করবেন। এই প্রদর্শনীর বৈশিষ্ট্য কী?
মাহ্বুব: আমাদের অধিকাংশ প্রকল্পে আমি অনেকের সঙ্গে কাজ করতে পছন্দ করি। আমি শিল্পীদের অংশগ্রহণ ও তাঁদের অভিমতের বিষয়ে খুব বেশি গুরুত্ব দিই। কিন্তু এই প্রকল্পটায় প্রথম দিকে ভেবেছিলাম আরও কিছু শিল্পীকে যুক্ত করে কীভাবে করা যেতে পারে। কিন্তু দেখলাম সময় সীমিত। আর যে পরিসরে কাজ করতে হবে, সেখানে অনেক শিল্পীকে নিয়ে তাঁদের সঙ্গে সময় ও ভাবনা মিলিয়ে বোঝাপড়া করে কাজটা এগিয়ে নেওয়া বেশ জটিল হয়ে উঠবে। সে কারণে প্রধানত আমি নিজের ভাবনায় কাজটা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবে অনেক তরুণ শিল্পী, বিভিন্ন মাধ্যমের কাজের সহযোগী এবং প্রথম আলোর কর্মীরা অনেক সহায়তা করেছেন। এখানে প্রচুর উপাদান ছিল। পুড়ে যাওয়া জিনিসগুলোই ছিল আমার ‘আর্ট ম্যাটেরিয়ালস’। কিছু জায়গা পরিষ্কার করেছি। কিছু যে অবস্থায় আছে, ওভাবেই রেখেছি। সব মিলিয়ে এটা অনেকটা ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন’–এর মতো হয়েছে। খুব অল্প সময়ে এত বড় একটা প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। বাস্তবিকই এটা একটা বিশাল শিল্পপ্রয়াস।
আপনি বললেন, প্রধানত এই ভবনের উপকরণগুলোই ব্যবহার করেছেন। বাইরে থেকে আনা উপকরণ কম। এর কি কোনো বিশেষ তাৎপর্য আছে?
মাহ্বুব: আমার মনে দীর্ঘদিন এই প্রশ্নগুলো আছে—কেন পৃথিবীটাকে আমরা এমন জটিল করে তুলছি? যখন কোথাও যুদ্ধ লাগে, সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটে, আমি আসলে খুব হতাশ হয়ে যাই। বেদনা বোধ করি। এই বিধ্বস্ত স্থাপনাটি দেখে আমার তেমন বেদনা বোধ হয়েছে। আমি এই ধ্বংসাত্মক বিষয়টি দেখানোর জন্য অধিকাংশ উপকরণ রেখেছি। আর কিছু কিছু সামগ্রী আমি নিয়ে এসেছি। কারণ, আগেই বলেছি উপকরণগুলোর নিজস্ব ভাষা আছে। আমরা সেই ভাষাকে উপস্থাপন করতে চাই। এর মধ্য দিয়েই একজন মানুষ তাঁর নিজের ভাবনা ভাবতে পারবেন। এই পরিসর ও উপকরণগুলো তাঁকে ভাবার এবং অনুভব করার স্বাধীনতা দেবে।
কাজটির জন্য কি যথেষ্ট সময় পেলেন? কত বড় দল নিয়ে কাজ করলেন?
মাহবুব: না, আসলে সময়টা খুবই কম। সত্যিকার অর্থে খুবই শর্ট। আর অনেক লোকের যুক্ততা ছিল। অনেক লোক। তাঁদের মধ্যে আমার সহযোগী শিল্পী ছিলেন প্রায় ১২ জন। এ ছাড়া ভিডিওর দল, কারিগরি বিভাগের কর্মী আর প্রথম আলোর অনেক মানুষ। ওই যে বলেছি ‘ছোটখাটো একটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন’।
এ ধরনের ঘটনা নিয়ে আপনার বেদনার কথা বললেন। আবার শিল্পী হিসেবে শিল্পকর্ম সৃষ্টির একটা আনন্দ আছে। এত বড় একটা শিল্পকর্ম তৈরি করার অনুভূতিটা কেমন?
মাহ্বুব: আমার মনে হচ্ছে এই পুরো পরিসরের মধ্যে যেন মিশে গেছি। আমার আর আলাদা কোনো অস্তিত্ব নেই। কোথায় আছি, আর কোথায় নেই—এটাও ঠিক ভাবতে পারছি না। এমনকি বাড়িতে পর্যন্ত সময় দিতে পারছি না। একটা অন্য রকম অনুভূতি। প্রকাশ করা কঠিন।
তবে একটা বড় কিছু প্রাপ্তির মতো মনে হয়েছে। এটা একধরনের ‘অ্যাওয়ার্ডের’ মতো। মানে এ রকম একটা বিশাল পরিসরে, এমন একটা পরিবেশে কাজ করার সুযোগ পাওয়া সত্যিই দুর্লভ। সে কারণে বলতে পারি, এটা শিল্পী হিসেবে একটা বড় প্রাপ্তি। ফলে শরীরের কথা ভুলেই গেছি। বললাম না আমি আর আমার মধ্যে নেই।
শেষ প্রশ্ন, এই পুরো কাজের মধ্যে দর্শকদের আপনি বিশেষ কোনো বার্তা দিতে চেয়েছেন?
মাহ্বুব: এই বার্তার কথাটা আমি একেবারে সরাসরি কিছু বলতে চাই না। কারণ, এটা কেউ যদি না দেখেন তবে বুঝবেন না যে ঘটনাটা কী।
আপনাকে ধন্যবাদ।
মাহ্বুবুর রহমান: আপনাকে, প্রথম আলোর পাঠক এবং যাঁরা প্রদর্শনী দেখতে আসবেন, তাঁদেরও ধন্যবাদ।