চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতার ভাই নিহত, টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ

· Prothom Alo

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতার ভাইকে দলীয় কর্মী দাবি করেছে জামায়াত। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে জীবননগর উপজেলা জামায়াত আজ রোববার বেলা ১১টায় শহরের চৌরাস্তার মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।

Visit sportfeeds.autos for more information.

নিহত ব্যক্তির নাম হাফিজুর রহমান (৪৫)। তিনি জীবননগর শহরে ঢাকা জুয়েলার্সের মালিক ছিলেন। তিনি জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমানের ভাই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে শনিবার রাতে হাসাদহ বাজারে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে মফিজুর রহমান ও তাঁর ভাই হাফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন। ঢাকায় নেওয়ার পথে হাফিজুর রহমান মারা যান। মফিজুর রহমান বর্তমানে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিক্ষোভ সমাবেশে জীবননগর উপজেলা জামায়াতের আমির সাজেদুর রহমান বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শান্তি ও আদর্শভিত্তিক আন্দোলন করি; কিন্তু বিএনপির সন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর আক্রমণ করে আমাদের দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিচ্ছে।’ হামলাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা মনে করবেন না শান্তশিষ্ট আদর্শের দল বলে প্রতিশোধ নিতে পারবে না।’

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, জামায়াত নেতার ভাই নিহত

সমাবেশে জামায়াতের জেলা মজলিসুন মুফাসসেরিন হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের হাফিজ ভাইকে কয়েকজন সন্ত্রাসী নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমরা বলতে চাই, এই হত্যাকারীরা মনে করেছে এক-আধজন জামায়াতকর্মীকে হত্যা করেই তাদের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে বাংলাদেশে তারা একচ্ছত্র বিস্তার করতে পারবে। তাদের এই ধারণা ভুল। যারা হত্যা করেছে তাদের ছবি, ঠিকানা, বাপের নামসহ প্রশাসনের কাছে আমরা দিয়েছি। সুতরাং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই খুনিদের বিচারের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। ভাইয়ের রক্তের বদলা যতক্ষণ না পাব, ততক্ষণ পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রম ও কর্মসূচি নিয়ে আমরা রাস্তায় থাকব ইনশা আল্লাহ।’

বিক্ষোভ সমাবেশে জীবননগর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি শাখাওয়াত হোসেনসহ অন্য নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Read full story at source